বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশের সবগুলো বিভাগের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও কলেজপর্যায়ে সংবাদদাতা/প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা অনলাইন সংবাদ প্রকাশনার সাথে সংবাদ প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করতে ইচ্ছুক তারাই কেবল এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। আগ্রহী দক্ষ সংবাদ প্রতিনিধিদের আমাদের কাছে ই-মেইল মারফত সিভি জমা দিতে হবে। আপনার সিভি জমা দেয়ার পর salmankoeas@gmail.com থেকে প্রতিনিধি বাচাই কার্যক্রমে নিয়োজিত টিম আপনাদের সিভি পর্যালোচনা করে ই-মেইল মারফত বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে salmankoeas@gmail.com এর সাথে সংবাদ প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করতে পারবে কি না তা নিশ্চিত করবে। মোবাইল: ০১৭১১-০০৭২৭২
ব্রেকিং নিউজ :
বিজয়নগরে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন।। দৈনিক ক্রাইমসিন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সদর উপজেলা কমিটি ঘোষণা।। দৈনিক ক্রাইমসিন মাধবপুরে উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটি গঠন ।। দৈনিক ক্রাইমসিন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ সম্পাদক হলেন শান্ত ।। দৈনিক ক্রাইমসিন বিএনপিকে প্রতিহত করতে হবে প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী এমপি।। দৈনিক ক্রাইমসিন মাধবপুরে পঙ্গু রহিমা বেগমের একটি ঘরের জন্য আকুতি।। দৈনিক ক্রাইমসিন মেসির জন্য সিংহের মতো লড়বে আর্জেন্টিনা ।। দৈনিক ক্রাইমসিন শায়েস্তাগঞ্জ থানার নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।। দৈনিক ক্রাইমসিন মাধবপুরের তেলিয়াপাড়া চা বাগান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধে দুই মন্ত্রীর শ্রদ্ধা ।। দৈনিক ক্রাইমসিন সারাদেশে আগামী ১৫ দিন পুলিশের বিশেষ অভিযান।। দৈনিক ক্রাইমসিন

সোনাই ও খাষ্টি নদী খননে অনিয়ম :বৃষ্টিতে নদীর ২পাড় ভেঙ্গে যাচ্ছে -দৈনিক ক্রাইমসিন

নিজেস্ব প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সোনাই ও খাষ্টি নদী খনন কাজ দায়সারা ভাবে করায় বৃষ্টিতে নদীর পাড়ের মাটি ভেঙ্গে নদীতে পড়তে শুরু করেছে। সোনাই ও খাষ্টি নদীর পাড় অনেক জায়গায় ভেঙ্গে গিয়েছে। দায়সারা ভাবে কাজ করায় এ ভাবেই ভেঙ্গে যাচ্ছে পাড়।

তাছাড়া নদীর অনেক জায়গা খনন না করার ও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকার  পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে নদী গুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে নদী খনন কাজ শুরু করেন।

এর ধারাবাহিকতায় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সোনাই ও খাষ্টি নদী খনন করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড টেন্ডার আহ্বান করলে ৪ টি টিকাদারি প্রতিষ্টান খাষ্টি ও সোনাই নদী খনন কাজ পান। খাষ্টি নদী ও সোনাই নদী খনন কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় প্রায় ৩৪  কোটি টাকা। পৌর সভার গংগানগর এলাকার বাসিন্দা উদয় ঋষি জানান, এই নদীটির নাম হচ্ছে সোনাই নদী।

এখানে কথা ছিল নদী খনন করে পাড় বাধা হবে। কিন্তু সঠিক ভাবে পাড় না বাধার কারনে আমাদের পাড় গুলো ভেঙ্গে ধসে যাচ্ছে। এই ভাবে যদি নদীর পাড় ধসে পড়ে আমাদের বাড়িঘরের অনেক ক্ষতি হবে। এতে করে আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখিন হতে হবে। পৌর সভার গংগানগর এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ পাল জানান,নদীর পাড় বানছিল ( বেধেছিল)। বৃষ্টি হওয়ার কারনে নদীর পাড় গুলো ভেঙ্গে গেছে। নদীর পাড়ের কাছাকাছি এলাকায় মাটি রাখার কারনে বৃষ্টির কারনে ভেঙ্গে গেছে নদীতে। পৌর সভার গংগানগর এলাকার বাসিন্দা উত্তম ঠাকুর জানান, উনারা যে আসছে নদী খনন করার জন্য। গাং থেকে অনেক পাই আমরা শশ্বানের জায়গা। উনারা যে কি ভাবে কি করছে আমরা এই গুলো বুজতে পারিও না। আমি মাননীয় সরকারের কাছে আবেদন করি । শেখ হাসিনার কাছে কই , মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে কই আপনি হয়ত দেখেন।  চৌমুহনী ইউনিয়নের ভবানীপুুর গ্রামের বাসিন্দা করিম মিয়া জানান,কাজের যে লেভেলের মাটি দিয়েছে সে লেভেলের মাটি হয়নি। আমরা হেরারে কইছি আপনেরা যে মাটি দিয়া যাইতেছইন মাটি থাকত না। কারন এখনো তো বৃষ্টি বাদল কিছুই না। এটা তো সাধারন একটা বৃষ্টি হইছে। এই যে গর্ত গুলো হইতেছে এই যে ফাটল দিছে মাটি গুলো যাইব গা। আষাড় , শ্রাবণ , ভাদ্র বৃষ্টির সময়। যে মাটি দিয়া গেছে কাইটা তো এখন ওই গেছে গা। 

পৌর শহরের বাসিন্দা আজিজুর রহমান জানান, খাষ্টি ও সোনাই নদীর খনন কাজ চলছি। যে মিলে কাজ হওয়ার কথা ছিল সে মিলে কাজ হয়নি। পাড়ে পর্যাপ্ত পরিমান মাটি পড়ে নাই। ২ দিনের বৃষ্টিতে এ গুলো ভেঙ্গে আগের যায়গায় চলে গেছে। সরকারের অনেক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। 

পৌর শহরের মামুন মিয়া জানান,এই যে নদী খনন করেছে , কাজটি ভাল হয়নি। দু নম্বরী কাজ করেছে। জনগনের অনেক গুলো টাকা ব্যায় হয়েছে। সরকারের হস্তক্ষেপ আমরা চাই। নদী খনন করছে ২ /৩ দিনের ভিতরে নদী পাড় ভেঙ্গে ভিতরে চলে গেছে। আমরা  চাই পুনরায় আবার খনন হোক। আবার অনেক জায়গা খনন করে নাই। এরা কোন না কোন মুনাফার কারনে খনন করে নাই। আমরা সাধারন মানুষ আমরা যদি কিছু বলি আমাদের বিপদ হতে পারে। অনেক মানুষ ভয়ে কিছু বলতে পারে না।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন অফিসের নিবার্হী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ তালুকদার জানান,যে অংশটি জনগন দেয়নি সে অংশ টি কাটতে পারেনি। ব্রীজ থেকে ৩০ মিটার আমাদের কাটার প্রয়োজন নাই। দুই পাশে ৬০ মিটার কাটার প্রয়োজন নাই। যে টুকু কাটা হয়নি লোকজন এসে বাধা দিবার কারনে কাটতে পারেনি। তারপরও যদি ভেঙ্গে গিয়ে থাকে আমাদের অফিসাররা যাবে দেখবে। সে অনুযায়ী ঠিকাদার কে ডিরেকশন দিবে ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত