রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৪০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশের সবগুলো বিভাগের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও কলেজপর্যায়ে সংবাদদাতা/প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা অনলাইন সংবাদ প্রকাশনার সাথে সংবাদ প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করতে ইচ্ছুক তারাই কেবল এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। আগ্রহী দক্ষ সংবাদ প্রতিনিধিদের আমাদের কাছে ই-মেইল মারফত সিভি জমা দিতে হবে। আপনার সিভি জমা দেয়ার পর salmankoeas@gmail.com থেকে প্রতিনিধি বাচাই কার্যক্রমে নিয়োজিত টিম আপনাদের সিভি পর্যালোচনা করে ই-মেইল মারফত বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে salmankoeas@gmail.com এর সাথে সংবাদ প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করতে পারবে কি না তা নিশ্চিত করবে। মোবাইল: ০১৭১১-০০৭২৭২
ব্রেকিং নিউজ :
মেসির জন্য সিংহের মতো লড়বে আর্জেন্টিনা ।। দৈনিক ক্রাইমসিন শায়েস্তাগঞ্জ থানার নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।। দৈনিক ক্রাইমসিন মাধবপুরের তেলিয়াপাড়া চা বাগান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধে দুই মন্ত্রীর শ্রদ্ধা ।। দৈনিক ক্রাইমসিন সারাদেশে আগামী ১৫ দিন পুলিশের বিশেষ অভিযান।। দৈনিক ক্রাইমসিন জগদীশপুর যোগেশ চন্দ্র হাই স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা কমিটিকে ব্যাংক এশিয়ার সংবর্ধনা।দৈনিক ক্রাইমসিন মাসুদ ফাউন্ডেশনের ৫ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। মৌলভীবাজারে কর্মরত টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ইমজা’র নির্বাচন অনুষ্ঠিত l দৈনিক ক্রাইমসিন হবিগঞ্জের মাধবপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ।। দৈনিক ক্রাইমসিন মাধবপুর পৌর কিন্ডারগার্টেনে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ।। দৈনিক ক্রাইমসিন আর্জেন্টিনা জিতলে নকআউট হারলে বিদায়, ড্র করলে সমীকরণ মেলাতে হবে । দৈনিক ক্রাইমসিন

রতনপুরে ফুটওভার ব্রিজ নয়, প্রয়োজন আন্ডারপাস এবং ওভারপাস-দৈনিক ক্রাইমসিন

স্টাফ রিপোর্টার : হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঢাকা সিলেট মহাসড়কে এশিয়ান হাইওয়ে রোডের রতনপুর নামক স্হানে নির্মিত ফুটওভার ব্রীজ ব্যাবহারে যাত্রীদের অনিহা ও নিয়মিত দূর্ঘটনার কারন সম্পর্কে জানতে চাইলে  ড. মোহাম্মদ আলী ওয়াক্কাস সোহেল,অধ্যাপক সমাজকর্ম বিভাগ প্রতিবেদককে বলেন, হাইওয়ে ব্যবহার করার সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর উপজেলার রতনপুর এলাকায় ফুট ওভারব্রিজের ইমেজ দেখে ভাবি আর বোকার হাসি অনুভব করি।এ বুদ্ধি কার মাথা থেকে আসলো? কিভাবে প্রায় দুই শত তেতাল্লিশ  কিলোমিটার মহাসড়কে নরসিংদীর পর এস্থান এমন গৌরবের তকমায় আলোকিত হলো।]

মহাসড়কের নতুন অবকাঠামো হওয়ার বেশ কিছুকাল পরে এর অস্তিত্ব দেখে পুলকিত না হয়ে অবাক হয়েছিলাম।যেখানটায় কিনা প্রতিনিয়ত নাসিরনগর লাখাই মাধবপুরের শত শত যানবাহন হাজার হাজার পথচারী তাদের প্রয়োজনে হাইওয়ে তে এসে নির্ধারিত গন্তব্যে যাত্রা করে। সেখানে  স্পিড ব্রেকার আন্ডারপাস ওভারপাস র‍্যাম্বল স্পিড না হয়ে  ফুটওভার ব্রিজ?যেথায় তর্জনীর জোর এবং কলমের অদৃশ্য শক্তির কুৎসিত অবয়ব চিত্রিত হয়।আধুনিকতার এ-যুগে ও কি এসব সম্ভব? ভাবতে অবাক লাগে।উন্নয়ন পরিকল্পনার পূর্বশর্ত হলো জনগণের চাহিদা এবং প্রয়োজনকে আমলে নিয়ে এবং তাদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নীতি পরিকল্পনার আবহ তৈরি করা।

যেখানটায় যৌক্তিকতা পর্যালোচনা প্রাক মূল্যায়ন কস্ট বেনিফিট এনালাইসিস ইত্যকার প্রপঞ্চ গুলো মাথায় নিয়ে নিরাপদ আগামীর আকাঙ্ক্ষায় প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথা।সেখানটায় কিনা না বাহবা পাওয়ার প্রলোভনে এমনভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয়! আমাদের দেশে প্রায় অনেক জায়গায় দেখা যায় ব্রিজ-কালভার্ট আছে কিন্তু সংযোগ সড়ক নেই ,যা বছরের-পর-বছর অব্যবহৃত থেকে একসময় সভ্যতার বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।প্রশ্ন হলো ফুট ওভারব্রিজের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু? যাদের জন্য স্থাপনা তারা কি এ থেকে সুফল পাচ্ছে? যদি না পেয়ে থাকে তাহলে গলদ কোথায়? ফি-বছর এ ফুট ওভারব্রীজ সংলগ্ন দুতিন জনের প্রাণহানির সংবাদ বিভিন্ন মাধ্যম থেকে অবগত হই। গত দিন কয়েক আগে ও দুজন মোটরসাইকেল আরোহী কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় পৃথিবীর মায়া ছিন্ন করে।

এ জায়গায় প্রতিনিয়ত রাস্তা পারাপারে নারী-পুরুষ-শিশু দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়।অনেক যানবাহন নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।হাইওয়েতে বেপরোয়া যান চলাচল এ অঞ্চলের মানুষের দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে অনুভূত হয়েছে যে এসব যাত্রীরা ফুটওভারব্রিজ কালে ভদ্রেও ব্যবহার করে না।যার সুযোগে সন্ধ্যার পর গঞ্জিকাসেবি ইয়াবা খোর জোয়াড়ীদের নিরাপদ স্থানে  পরিণত হয়েছে এই ওভার ব্রিজ।যা আইন  শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে ও রসদ যোগাতে পারে। যাত্রীরা সাধারণত দৌড়ে হেঁটে রাস্তা পারাপারের চেষ্টা করে থাকে।অনেক সময় সংকট ও দুর্ঘটনার উপস্থিতি ঘটে থাকে। ছোট-বড় অনেক যান হাইওয়েতে ওঠার সময় নানাভাবে বিড়ম্বনার শিকার হয়।

কেননা চোখের পলকেই এ ঝুঁকিপুর্ন  স্থান দিয়ে দূরপাল্লার যানবাহন গন্তব্যে ছুটে চলে, যার  বলি হয় জন এবং যান।এ-থেকে পরিত্রাণের কোন উপায় আছে কি? বিভিন্ন সড়কে স্পীট ব্রেকারের ব্যবহার দেখা যায়। এ নিয়ে বিতর্ক আছে। নতুন রাস্তা তৈরির সময় প্রভাবশালী থাবায় যত্রতত্র এসবের উপস্তিতি দেখা যায়। ভাবার বিষয় স্পীড ব্রেকারে  অনেক সময় যান এবং  জনের দুর্ঘটনার  ঘটনা ঘটে। যথাযথ নির্মাণ রীতি না মেনে  সংকেতের অনুপস্থিতি এবং রঙের বিবর্ণতার কারণে অনেক সময় চালক বুঝতে না পেরে বিপত্তির সম্মুখীন হয়।এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী পাথেয় হতে পারে আন্ডারপাস এবং  ওভারপাস। যেখানটায় অংশীজন নির্বিঘ্নে রাস্তা ব্যবহার করতে পারবে।

সাময়িক এবং জরুরী তাগিদে র‍্যাম্বল স্পিড  নির্মাণ ও খানিকটা অস্বস্তি দূর করতে পারে। এনে দিতে পারে স্বস্তি।যদি ঝুঁকিপুর্ন এলাকায় প্রাক সংকেত দেয়া যায় এবং এর কিছু পর অর্থাৎ রতনপুর পয়েন্টের একটু আগে আট দশটা র‍্যাম্বল স্পিড  তৈরি করা যায় তাহলে চালকের মাঝে যে ঝাঁকুনি অনুভূত হবে তাতে করে সে সম্বিৎ ফিরে পাবে। এবং বুঝতে সক্ষম হবে সামনে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। এতে করে তার গতিসীমা কমে যাবে। রক্ষা পাবে পথচারী এবং যানবাহন। এবং দূরপাল্লার যান এবং যাত্রীরাও অনাকাঙ্ক্ষিত  অবস্খা থেকে রেহাই পাবে।আর কত মৃত্যুর পর এ নিয়ে ভাবা হবে? এ রাস্তা দিয়ে নিয়ত রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারক স্থানীয় প্রশাসন নেতৃবৃন্দ সচেতন-জনতা সড়ক ও জনপথের বিশেষজ্ঞরা যাতায়াত করেন।

এসব বিষয় ভাবার সময় এসেছে। রতনপুরের এ স্থানে র‍্যাম্বল স্পিড স্থাপন সময়ের দাবি। এবং যেহেতু এ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হচ্ছে বাস্তবতা এবং ব্যস্ততার কার্যকারণ অনুধাবন করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আন্ডারপাস ওভারপাস নির্মাণ এ জনপদের জীবন ও যান রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেই বিশ্বাস করি।হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ জনপ্রতিনিধি প্রশাসনের  নেক-নজর ই পারে  মানুষের বোবা কান্না থামাতে। এবং ফুটওভারব্রিজ অন্যত্র অপসারণের মাধ্যমে ও জনবিদ্রোপ থেকে  এতদ অঞ্চলের মানুষ স্বস্তি পাবে। এ বিষয়ে যত দ্রুত জন চাহিদা ও আকাঙ্খার প্রাধান্য দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া যাবে, তাতেই মঙ্গল ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত